রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ধোকড়াকুল মৌজায় জমির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে একটি আদিবাসী পরিবারের বসতভিটায় হামলা, ঘরবাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট ও জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। গত ১২ জুন সকালে সংঘবদ্ধ একদল লোক এই হামলা চালায় এবং ঘরবাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি পুকুরের মাছ ধরে নিয়ে যায় ও বিভিন্ন গাছপালা কেটে ফেলে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, হামলার সময় ঘরে থাকা নগদ প্রায় এক লক্ষ টাকা ও ৭০ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে গেছে হামলাকারীরা। বাধা দিতে গেলে পরিবারের সদস্যদের মারধর ও প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়, যার ফলে এলাকা জুড়ে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, তারা বহু বছর ধরে পৈতৃক সূত্রে বৈধ দলিলমূলে এই জমিতে বসবাস করে আসছেন। ধোকড়াকুল মৌজার মোট ৩৭ শতাংশ জমির মালিকানা নিয়ে প্রতিপক্ষের সাথে বিরোধের জেরে আলোচনার কথা থাকলেও, প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক জমি দখলের উদ্দেশ্যে এই তাণ্ডব চালায়।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, তারা বহু বছর ধরে পৈতৃক সূত্রে বৈধ দলিলমূলে এই জমিতে বসবাস করে আসছেন। ধোকড়াকুল মৌজার মোট ৩৭ শতাংশ জমির মালিকানা নিয়ে প্রতিপক্ষের সাথে বিরোধের জেরে আলোচনার কথা থাকলেও, প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক জমি দখলের উদ্দেশ্যে এই তাণ্ডব চালায়।
হামলার সময় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হলে পুলিশ আসার আগেই অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষ সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না হলেও, বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়দের কাছে স্বীকার করেছে অভিযুক্তের পরিবার।
পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।