Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

collapse
Home / ময়মনসিংহ বিভাগ / সারাদেশ / ময়মনসিংহ / বিদ্যুৎকর্মী বাবুর মৃত্যুকে 'হত্যাকাণ্ড' দাবি, থানা ও বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও - Chief TV

বিদ্যুৎকর্মী বাবুর মৃত্যুকে 'হত্যাকাণ্ড' দাবি, থানা ও বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও - Chief TV

2026-06-18  ডেস্ক রিপোর্ট  36 views
বিদ্যুৎকর্মী বাবুর মৃত্যুকে 'হত্যাকাণ্ড' দাবি, থানা ও বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও - Chief TV
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে বিদ্যুৎ বিভাগের বেসরকারি কর্মী মাসুদ করিম বাবুর মৃত্যুকে ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। বাবুর মৃত্যুকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড দাবি করে জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে ‘গৌরীপুরবাসী’র ব্যানারে বুধবার বিকেলে থানা, বিদ্যুৎ অফিস ও উপজেলা পরিষদ ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী।
 
এর আগে মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে পৌর শহরের বালুয়াপাড়া মোড়ে বৈদ্যুতিক খুঁটির ওপর ১১ হাজার ভোল্টেজের তারের জাম্পার কাটার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিচে পড়ে মারা যান তিনি। নিহত বাবু গৌরীপুর পৌর শহরের পূর্ব ভালুকা গ্রামের মৃত আব্দুস সালামের ছেলে। ১৮ মাস বয়সী এক সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে বাবুর আয়েই চলতো তার পুরো সংসার।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে বাবুসহ বিদ্যুৎ বিভাগের কয়েকজন কর্মী বালুয়াপাড়া মোড়ে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে কাজ করতে যান। খুঁটিতে ওঠার আগে বাবুর সহকর্মীরা সংশ্লিষ্ট এলাকার ফিডার শাটডাউন দিয়ে বিদ্যুৎসংযোগ বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করার পরই তিনি ওপরে ওঠেন।
 
তবে ওপরে উঠে তার স্পর্শ করা মাত্রই প্রচণ্ড শক্তিতে বিদ্যুৎতায়িত হয়ে নিচে ছিটকে পড়েন বাবু। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বাবুর এই আকস্মিক মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা বিদ্যুৎ বিভাগের চরম গাফিলতিকে দায়ী করে এটিকে হত্যাকাণ্ড বলে অভিহিত করেছেন। বিক্ষুব্ধ জনতা বুধবার বিকেলে শহরে মিছিল বের করে পর্যায়ক্রমে গৌরীপুর থানা, বিদ্যুৎ অফিস ও উপজেলা পরিষদ ঘেরাও করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।
 
এ সময় উত্তেজিত কয়েকজন বিক্ষোভকারী বিদ্যুৎ অফিসে ইটপাটকেলও নিক্ষেপ করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিলে বিক্ষোভকারীরা শান্ত হন।

ঘটনার বিষয়ে জানতে গৌরীপুর উপজেলা প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) লিটন মজুমদারের কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি, এমনকি মুঠোফোনেও তার সাড়া মেলেনি। তবে বিদ্যুৎ বিভাগের সুইচ বোর্ড অ্যাটেন্টডেন্ট এস এম মেহেদি হাসান জানান, ঘটনার দিন উপসহকারী প্রকৌশলী মারুফ স্যারের নির্দেশে তিনি দুটি ফিডার শাটডাউন করেছিলেন।
 
অন্যদিকে গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাবিবুর রহমান জানিয়েছেন, বিক্ষোভকারীরা থানায় এসে প্রতিবাদ জানালেও এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলেই পুলিশ আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Share: