লালমনিরহাটের আদিতমারীতে সাত বছরের শিশু নন্দিনীকে হত্যার মামলায় গ্রেফতার বাবা রঞ্জিত কুমার ও ছেলে বিধান চন্দ্রকে আদালতের আদেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার বিকেলে তাদের সিনিয়োর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে বিজ্ঞ বিচারক এ নির্দেশ দেন।
আদালতে হাজির করার পর আসামি বিধান চন্দ্র ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় নিজের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। এর আগে নলকূপের নালার পানি প্রবাহ নিয়ে নিহত শিশুর বড় ভাইয়ের সাথে পারিবারিক বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। ঘটনার পর পুলিশ অভিযুক্ত দুজনকে গ্রেফতার করলে এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং বিক্ষুব্ধ জনতা আসামিদের বাড়ি ভাঙচুরসহ অগ্নিসংযোগের চেষ্টা চালায়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং বিজিবির অধিনায়কসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রায় তিন ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকেন। উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে আসামিদের উদ্ধার করে নিয়ে আসে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং বিজিবির অধিনায়কসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রায় তিন ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকেন। উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে আসামিদের উদ্ধার করে নিয়ে আসে।
এই সংঘর্ষের সময় পুলিশ সুপার ও ওসিসহ অন্তত ২০ জন আহত হন এবং বিক্ষুব্ধরা সরকারি সাতটি গাড়ি ভাঙচুর করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পরবর্তীতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশের পক্ষ থেকে দুটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং সরকারি কাজে বাধা ও সম্পদ নষ্টের অপরাধে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
এই অপ্রীতিকর ঘটনার পর তাৎক্ষণিকভাবে আদিতমারী থানার ওসিকে প্রত্যাহার করে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
নিহত শিশুর পিতা নলিনী কান্ত বাদী হয়ে অভিযুক্ত বিধান, তার বাবা রণজিৎ ও মা মমতা রানীর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। স্থানীয়দের মতে, পেশায় জুয়েলারি শ্রমিক বিধান মাদকাসক্ত ও উগ্র স্বভাবের ছিলেন এবং মাদকের টাকার জন্য বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ছিলেন।
নিহত শিশুর পিতা নলিনী কান্ত বাদী হয়ে অভিযুক্ত বিধান, তার বাবা রণজিৎ ও মা মমতা রানীর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। স্থানীয়দের মতে, পেশায় জুয়েলারি শ্রমিক বিধান মাদকাসক্ত ও উগ্র স্বভাবের ছিলেন এবং মাদকের টাকার জন্য বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ছিলেন।
সাবিত্রী রাণী ও নলিনী কান্ত তাদের একমাত্র কন্যাসন্তানের হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন যে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে ঘটনার আরও বিস্তারিত জানা যাবে, অন্যদিকে জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন তদন্ত কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ আরও জোরদার করা হবে।