খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রধান অধ্যাপক রেজাউল ইসলামের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের সাথে অশালীন আচরণ, যৌন হয়রানি ও অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
এই ঘটনায় ভুক্তভোগী এক ছাত্রীর লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত শিক্ষককে ডিসিপ্লিন প্রধানের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তার স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে ড. মো. ইয়াসিনকে।
একই সাথে অভিযোগটি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন হয়রানি ও নিপীড়ণ নিরোধ কেন্দ্রের সাত সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি বুধবার বিকেল থেকে আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু করেছে।
গত মঙ্গলবার দুপুরে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পক্ষে এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাঠানো কুরুচিপূর্ণ ও অস্বস্তিকর মেসেজসম্বলিত প্রমাণপত্রসহ যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ কেন্দ্রে এই লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
গত মঙ্গলবার দুপুরে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পক্ষে এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাঠানো কুরুচিপূর্ণ ও অস্বস্তিকর মেসেজসম্বলিত প্রমাণপত্রসহ যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ কেন্দ্রে এই লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে ভুক্তভোগী উল্লেখ করেন, শুরুতে ওই শিক্ষক তার সাথে ভালো আচরণ করলেও ধীরে ধীরে মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপে নানা ধরনের আপত্তিকর মেসেজ পাঠাতে শুরু করেন এবং একপর্যায়ে তাকে মানসিক ও মানসিকভাবে হেনস্তা করেন।
একই ডিসিপ্লিনের আরও কয়েকজন ছাত্রীও অতীতে এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে গভীর রাতে ফোন ও মেসেজে আপত্তিকর প্রশ্ন করা এবং সায় না দিলে ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। ভুক্তভোগীরা এই ঘটনার সুষ্ঠু ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
অবশ্য নিজের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক বলে দাবি করেছেন অধ্যাপক মো. রেজাউল ইসলাম। তার বক্তব্য অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারিতে তার মোবাইল ফোনটি চুরি হয়ে যাওয়ার পর থেকে তিনি তার ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ডিলিট করে দিয়েছেন এবং এই বিষয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করা হয়েছে।
অবশ্য নিজের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক বলে দাবি করেছেন অধ্যাপক মো. রেজাউল ইসলাম। তার বক্তব্য অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারিতে তার মোবাইল ফোনটি চুরি হয়ে যাওয়ার পর থেকে তিনি তার ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ডিলিট করে দিয়েছেন এবং এই বিষয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করা হয়েছে।
ডিসিপ্লিনের প্রধান হিসেবে নিয়মের বাইরে যেতে শিক্ষার্থীদের বাধা দেওয়ায় একটি মহল ঈর্ষা ও শত্রুতা থেকে তার বিরুদ্ধে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হারুনর রশিদ খাঁন এবং যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ কেন্দ্রের সভাপতি অধ্যাপক মোছা. তাসলিমা খাতুন জানিয়েছেন, তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পরবর্তীতে কঠোর আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।