সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সাতটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বুধবার ভোরে উপজেলার জামতৈল পূর্ব বাজারে এই ঘটনা ঘটে। অগ্নিকাণ্ডের ফলে দোকানগুলোতে থাকা বিপুল পরিমাণ মালামাল পুড়ে গেছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ লাখ টাকা বলে দাবি করছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।
আকস্মিক এই অগ্নিকাণ্ডে বাজারের ব্যবসায়ীদের মাঝে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং মুহূর্তের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিষাদে পরিণত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোর পৌনে ৬টার দিকে বাজারের একটি দোকান থেকে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা চারপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে কামারখন্দ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সে খবর দিলে ফায়ার ফাইটাররা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং প্রায় ১ ঘণ্টার টানা চেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোর পৌনে ৬টার দিকে বাজারের একটি দোকান থেকে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা চারপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে কামারখন্দ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সে খবর দিলে ফায়ার ফাইটাররা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং প্রায় ১ ঘণ্টার টানা চেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।
তবে ততক্ষণে সাতটি দোকানের ভেতরে থাকা সমস্ত মালামাল পুড়ে কয়লা হয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত ঘর মালিকের স্বজনরা জানান, খবর পেয়ে বাজারে ছুটে এসে তারা শুধু ধ্বংসস্তূপই দেখতে পান, কোনো কিছুই আর রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।
ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে দোকানে বিপুল পরিমাণ চিনি, তেলসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র মজুত করা হয়েছিল। অনেকেই ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসার পরিধি বাড়িয়েছিলেন। চান সুইটসের কর্ণধর লাল মিয়া জানান, ঈদ উপলক্ষে স্টক করা সব মালামাল পুড়ে তার একারই প্রায় ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে দোকানে বিপুল পরিমাণ চিনি, তেলসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র মজুত করা হয়েছিল। অনেকেই ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসার পরিধি বাড়িয়েছিলেন। চান সুইটসের কর্ণধর লাল মিয়া জানান, ঈদ উপলক্ষে স্টক করা সব মালামাল পুড়ে তার একারই প্রায় ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ব্যাংক ঋণ মাথায় নিয়ে এখন সরকার ও প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া তাদের আর ঘুরে দাঁড়ানোর কোনো উপায় নেই। একই সুরে মৈত্রী শিল্পের ব্যবসায়ী রতন জানান, অনেক কষ্টের এই ব্যবসা হারিয়ে তারা এখন দিশেহারা। কামারখন্দ ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যার হাউস ইন্সপেক্টর ফরিদ উদ্দিন জানান, ভোর সোয়া ৬টার দিকে খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে যান। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই এই ভয়াবহ আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।