লিবিয়ায় অপহৃত হওয়ার দীর্ঘ আড়াই মাস পর নওগাঁর মান্দা উপজেলার নুরুল্লাবাদ গ্রামের প্রবাসী যুবক আলমগীর হোসেনকে (৩৫) নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছে সেদেশের একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী। পরিবারের অভিযোগ, দাবি করা ২৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিতে না পারায় তাকে এই চরম পরিণতি বরণ করতে হয়েছে।
সোমবার লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে আলমগীরের মৃত্যুর খবর গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে। নিহত আলমগীর ওই গ্রামের মৃত দিদার বক্স খাঁনের ছেলে এবং তিনি দীর্ঘ সাত বছর ধরে লিবিয়ায় পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলীর তাজুয়ারা ডিসি পৌরসভায় কাজ করার সময় গত ২৮ মার্চ মাগরিবের নামাজের পর পুলিশের পোশাক পরিহিত একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী মাইক্রোবাসে করে আলমগীরকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। আলমগীরের ভাই, লিবিয়া প্রবাসী জিল্লুর রহমান জানান, ভাইকে উদ্ধারের জন্য লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও কোনো ইতিবাচক অগ্রগতি হয়নি।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলীর তাজুয়ারা ডিসি পৌরসভায় কাজ করার সময় গত ২৮ মার্চ মাগরিবের নামাজের পর পুলিশের পোশাক পরিহিত একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী মাইক্রোবাসে করে আলমগীরকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। আলমগীরের ভাই, লিবিয়া প্রবাসী জিল্লুর রহমান জানান, ভাইকে উদ্ধারের জন্য লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও কোনো ইতিবাচক অগ্রগতি হয়নি।
সন্ত্রাসীদের ওই গোপন আস্তানায় আলমগীরসহ আরও ৩১ জন বাংলাদেশিকে জিম্মি করে রাখা হয়েছিল। সম্প্রতি সেই আস্তানা থেকে মুক্তিপণ দিয়ে মুক্ত হওয়া কয়েকজন বাংলাদেশি জানান, আলমগীরের কাছে ২৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছিল, কিন্তু তা দিতে না পারায় অন্তত এক মাস আগেই তাকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়। পরবর্তীতে উদ্ধার হওয়া অন্য জিম্মিদের মোবাইলে থাকা ছবি দেখে আলমগীরের লাশ শনাক্ত করা হয়।
এদিকে আলমগীরের এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের খবরে নুরুল্লাবাদ গ্রামে স্বজনদের কান্নায় আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। নিহতের স্ত্রী শাহিনা আক্তার জানান, আলমগীরই ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। গত ২৮ মার্চ কাজের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার আগে শেষবারের মতো তাদের কথা হয়েছিল, এরপর আর কোনো যোগাযোগ হয়নি।
এদিকে আলমগীরের এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের খবরে নুরুল্লাবাদ গ্রামে স্বজনদের কান্নায় আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। নিহতের স্ত্রী শাহিনা আক্তার জানান, আলমগীরই ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। গত ২৮ মার্চ কাজের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার আগে শেষবারের মতো তাদের কথা হয়েছিল, এরপর আর কোনো যোগাযোগ হয়নি।
কোনো সন্ত্রাসী তাদের কাছে সরাসরি মুক্তিপণও চায়নি। হঠাৎ করেই সোমবার রাতে তার মৃত্যুর খবর আসে। এখন স্বামীর মরদেহ দ্রুত উদ্ধার করে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য কান্নাজড়িত কণ্ঠে প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।
একই সাথে নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী মরদেহের দ্রুত প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।