জামালপুর সদর উপজেলায় দলীয় অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে এক বিএনপি নেতাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে আরেক নেতার বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার বিকেলে সদর উপজেলার রানাগাছা ইউনিয়নের লোন্দহ গ্রামে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
রানাগাছা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানাকে পিটিয়ে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছেন একই ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক সবুজ মিয়া। ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ও দলীয় নেতা-কর্মীরা রক্তাক্ত অবস্থায় সোহেল রানাকে উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহত বিএনপি নেতা সোহেল রানা ঘটনার বিবরণ দিয়ে জানান, বিকেলে তিনি লোন্দহ গ্রামে নিজের মাছের প্রজেক্ট পরিদর্শনে যান। সেখানে আগে থেকেই ওঁত পেতে থাকা সবুজ মিয়া একটি ফেসবুক পোস্টের সূত্র ধরে তাকে জেরা করতে শুরু করেন। কিছু বুঝে ওঠার আগেই সবুজ মিয়া তার ওপর চড়াও হন এবং এলোপাতাড়ি মারধর করতে থাকেন।
আহত বিএনপি নেতা সোহেল রানা ঘটনার বিবরণ দিয়ে জানান, বিকেলে তিনি লোন্দহ গ্রামে নিজের মাছের প্রজেক্ট পরিদর্শনে যান। সেখানে আগে থেকেই ওঁত পেতে থাকা সবুজ মিয়া একটি ফেসবুক পোস্টের সূত্র ধরে তাকে জেরা করতে শুরু করেন। কিছু বুঝে ওঠার আগেই সবুজ মিয়া তার ওপর চড়াও হন এবং এলোপাতাড়ি মারধর করতে থাকেন।
মারধরের একপর্যায়ে লোহার পাইপ দিয়ে সোহেল রানার মাথায় প্রচণ্ড আঘাত করা হয়, যা মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। তবে মারধরের এই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত সাধারণ সম্পাদক সবুজ মিয়া। তার দাবি, সোহেল রানা দীর্ঘদিন ধরে ফেসবুকে তার বিরুদ্ধে নানামুখী অপপ্রচার চালাচ্ছিলেন। এই বিষয়টির প্রতিবাদ করতে গেলে দুই জনের মধ্যে কেবল কথাকাটাকাটি হয়েছে, কোনো মারধরের ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে দলীয় নেতার ওপর এই হামলার ঘটনায় উপজেলা বিএনপিতে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সফিউর রহমান শফি ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে অভিযুক্ত সবুজ মিয়ার পদ স্থগিত করার জন্য রানাগাছা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে জরুরি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে দলীয় নেতার ওপর এই হামলার ঘটনায় উপজেলা বিএনপিতে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সফিউর রহমান শফি ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে অভিযুক্ত সবুজ মিয়ার পদ স্থগিত করার জন্য রানাগাছা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে জরুরি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে আইনি ব্যবস্থার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুস সাকিব জানান, এই মারামারির ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।