Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

collapse
Home / ঢাকা বিভাগ / সারাদেশ / ঢাকা / আজিমপুর কবরস্থানে কঙ্কাল বাণিজ্য, ঘাসের বস্তায় ভরে পাচার - Chief TV

আজিমপুর কবরস্থানে কঙ্কাল বাণিজ্য, ঘাসের বস্তায় ভরে পাচার - Chief TV

2026-07-12  ডেস্ক রিপোর্ট  34 views
আজিমপুর কবরস্থানে কঙ্কাল বাণিজ্য, ঘাসের বস্তায় ভরে পাচার - Chief TV
রাজধানীর আজিমপুর কবরস্থানকে কেন্দ্র করে সংঘবদ্ধ কঙ্কাল পাচারকারী চক্র সক্রিয় থাকার অভিযোগ সামনে এসেছে। গণমাধ্যমের অনুসন্ধানে দাবি করা হয়েছে, কবর থেকে মানুষের হাড় তুলে তা মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে বিক্রি করা হচ্ছে।
 
এ অভিযোগ প্রকাশের পর সেখানে প্রিয়জনদের দাফন করা পরিবারগুলোর মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

প্রায় ৩২ একর আয়তনের আজিমপুর কবরস্থানে প্রতিদিন গড়ে ২৫ থেকে ৩০টি মরদেহ দাফন করা হয়।
 
প্রায় ৩০ হাজার কবর থাকা এ কবরস্থানকে ঘিরে অভিযোগ উঠেছে, কিছু গোরখোদক ও তাদের সহযোগীরা নির্দিষ্ট কবর চিহ্নিত করে সুযোগ বুঝে সেখান থেকে মরদেহের হাড় সংগ্রহ করে পাচার করছে।

গণমাধ্যমের অনুসন্ধানে কঙ্কালের ক্রেতা পরিচয়ে যোগাযোগ করলে চক্রের সদস্যরা দাবি করেন, ছয় থেকে সাত মাস পুরোনো এবং নামফলকবিহীন কবর থেকে হাড় সংগ্রহ করা তুলনামূলক সহজ।
 
তাদের ভাষ্য, সাত থেকে ১০ দিনের মধ্যেই একটি পূর্ণাঙ্গ কঙ্কাল সরবরাহ করা সম্ভব এবং এর জন্য প্রায় ৪০ হাজার টাকা নেওয়া হয়। তারা আরও দাবি করেন, মানুষের ২০৬টি হাড় গুনে গুনে সরবরাহ করা হয় এবং এই কাজে কবর খননের সঙ্গে যুক্ত কিছু ব্যক্তি জড়িত।

অনুসন্ধানে আরও উঠে এসেছে, সন্ধ্যার পর কবর খুঁড়ে হাড় সংগ্রহ করে ঘাসভর্তি বস্তায় নির্ধারিত স্থানে পৌঁছে দেওয়া হয়। পুরো যোগাযোগ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয় এবং লেনদেনের পর উভয় পক্ষের পরিচয় গোপন রাখা হয়।
 
চক্রের এক সমন্বয়কারী দাবি করেন, একটি মরদেহ থেকে সব হাড় পাওয়া না গেলে দুই বা তিনটি মরদেহের হাড় একত্র করে পূর্ণাঙ্গ কঙ্কাল তৈরি করা হয়।

এদিকে, কবরস্থানের এক গোরখোদক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, কিছু কবর আগে থেকেই নজরদারিতে রাখা হয় এবং নির্দিষ্ট সময় পর সেখান থেকে কঙ্কাল সংগ্রহ করা হয়।

অভিযোগের বিষয়ে লালবাগ থানা পুলিশ জানিয়েছে, কঙ্কাল চুরির অভিযোগ নতুন নয়। তবে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ বা সাধারণ ডায়েরি জমা পড়েনি।
 
লালবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইয়াছিন আলী বলেন, সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই আশ্বাস দিয়েছেন লালবাগ বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।

Share: