দেশে জলাতঙ্ক প্রতিরোধে ব্যবহৃত অ্যান্টি-র্যাবিস ভ্যাকসিনের কোনো ঘাটতি নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি জানিয়েছেন, উপজেলা, জেলা এবং কেন্দ্রীয় পর্যায়সহ চার স্তরে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন মজুত রাখা হয়েছে। ফলে আগামী দিনগুলোতে কুকুরের কামড়ের ঘটনা বাড়লেও ভ্যাকসিন সংকটের আশঙ্কা নেই।
বুধবার (১০ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, কুকুরে কামড়ানো রোগীদের জন্য নির্ধারিত চিকিৎসা অনুযায়ী শূন্য ঘণ্টা থেকে ১৮ দিনের মধ্যে চারটি ডোজ ভ্যাকসিন গ্রহণ করতে হয়। এ বিষয়টি বিবেচনায় রেখে দেশের প্রতিটি উপজেলায় পর্যাপ্ত অ্যান্টি-র্যাবিস ভ্যাকসিন সংরক্ষণ করা হয়েছে। পাশাপাশি জেলা পর্যায়েও প্রয়োজনীয় মজুত রাখা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, কোনো উপজেলায় রোগীর সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে এবং সেখানে ভ্যাকসিনের মজুত শেষ হয়ে গেলে পাশের উপজেলা থেকে দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। সেখানেও সংকট দেখা দিলে জেলা পর্যায়ের মজুত ব্যবহার করা হবে।
জরুরি পরিস্থিতিতে জেলা পর্যায়ের মজুতও শেষ হয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের তাৎক্ষণিকভাবে ভ্যাকসিন কিনে দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় মেডিকেল স্টোরস ডিপো (সিএমএসডি) থেকে নতুন সরবরাহ পৌঁছানো পর্যন্ত স্থানীয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার আগাম প্রস্তুতি নিয়ে চার স্তরে ভ্যাকসিন মজুত রেখেছে। তাই আশ্বিন মাসে কুকুরের কামড়ের ঘটনা তুলনামূলক বেশি হলেও ভ্যাকসিনের কোনো অভাব হবে না বলে তিনি সংসদে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।