মাদারীপুরের রাজৈরে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা আলোচিত ‘হাতুড়ি বাহিনীর’ প্রধান এবং ডজনখানেক মামলার পলাতক আসামি মাজহারুল শেখকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
মাজহারুল রাজৈর উপজেলার পশ্চিম রাজৈর এলাকার নজরুল শেখের ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং সাধারণ মানুষকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম করার মাধ্যমে একটি নিজস্ব সন্ত্রাসী বলয় বা ‘হাতুড়ি বাহিনী’ গড়ে তুলেছিলেন তিনি। তার এই হঠাত গ্রেপ্তারের খবরে রাজৈরের সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মাজহারুল শেখ রাজৈর থানায় দায়ের করা একটি হত্যাচেষ্টা, নৃশংস হামলা, ঘরবাড়ি ভাঙচুর, ডাকাতি ও প্রকাশ্য দিবালোকে চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি। তার বিরুদ্ধে মাদারীপুর ও রাজৈরসহ বিভিন্ন থানায় অন্তত ১২টি গুরুতর অপরাধের মামলা রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মাজহারুল শেখ রাজৈর থানায় দায়ের করা একটি হত্যাচেষ্টা, নৃশংস হামলা, ঘরবাড়ি ভাঙচুর, ডাকাতি ও প্রকাশ্য দিবালোকে চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি। তার বিরুদ্ধে মাদারীপুর ও রাজৈরসহ বিভিন্ন থানায় অন্তত ১২টি গুরুতর অপরাধের মামলা রয়েছে।
রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মাজহারুল এলাকায় ‘হাতুড়ি বাহিনীর’ প্রধান হিসেবে পরিচিত এবং তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অসংখ্য সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া সে নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিল বলেও পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে।
মাদারীপুরের পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান এই কুখ্যাত অপরাধী গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাজহারুল শেখকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে এবং যথাযথ প্রক্রিয়ায় তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মাদারীপুরের পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান এই কুখ্যাত অপরাধী গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাজহারুল শেখকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে এবং যথাযথ প্রক্রিয়ায় তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, এলাকায় কোনো ধরনের সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, সাধারণ মানুষকে জিম্মি করা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। এই ধরনের গ্যাং কালচার ও অপরাধী চক্রের সঙ্গে জড়িতদের নির্মূল করতে পুলিশের বিশেষ চিরুনি অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।