ঘটনার বিবরণে জানা যায়, টঙ্গীবাড়ীর বলিয়াগাঁও এলাকায় ভাড়া বাসায় স্ত্রী ও শিশুকন্যাকে নিয়ে বসবাস করতেন মুহাসিন। চার মাস আগে ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী তাদের বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের আগে আছমার দুটি বিয়ের বিষয়টি গোপন ছিল, যা জানাজানি হওয়ার পর থেকে তাদের সংসারে প্রায়ই কলহ লেগেই থাকত।
আয়েশা বেগম তাৎক্ষণিক মুঠোফোনে ঢাকায় অবস্থানরত তার ছেলে আশিককে বিষয়টি জানান। এরপর শনিবার বিকেলে আশিক গ্রামে ফিরে এসে নজরুলের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে এবং এক পর্যায়ে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।