কয়েক দফায় প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হলেও কুড়িগ্রামের চিলমারী অংশে ‘মওলানা ভাসানী সেতুর’ সংযোগ সড়কের উন্নয়নকাজ এখনও শেষ হয়নি। কাজের চরম ধীরগতি ও সাম্প্রতিক বৃষ্টির কারণে সদ্যনির্মিত ৫ দশমিক ২৩ কিলোমিটার সড়কের দুপাশে প্রায় ১০০টি ছোট-বড় গর্ত ও খাদের সৃষ্টি হয়েছে।
ফলে তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত এই গুরুত্বপূর্ণ সেতুর সংযোগ সড়কটি এখন সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ অনুপযোগী ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এই নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা এবং পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।
জানা গেছে, পাঁচপীর বাজার থেকে চিলমারী হেডকোয়ার্টার সড়কে তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত মওলানা ভাসানী সেতুর সংযোগ সড়ক উন্নয়নের কাজ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হয়। ১০ কোটি ৩৩ লাখ টাকার এই বড় বাজেটের প্রকল্পের ঠিকাদারি কাজটি পান নাটোরের মীর হাবিবুল আলমের লাইসেন্স ব্যবহারকারী রৌমারীর ঠিকাদার রাশেদুল ইসলাম।
জানা গেছে, পাঁচপীর বাজার থেকে চিলমারী হেডকোয়ার্টার সড়কে তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত মওলানা ভাসানী সেতুর সংযোগ সড়ক উন্নয়নের কাজ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হয়। ১০ কোটি ৩৩ লাখ টাকার এই বড় বাজেটের প্রকল্পের ঠিকাদারি কাজটি পান নাটোরের মীর হাবিবুল আলমের লাইসেন্স ব্যবহারকারী রৌমারীর ঠিকাদার রাশেদুল ইসলাম।
চুক্তি অনুযায়ী ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও, গত আড়াই বছরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি মাত্র ৭০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন করতে পেরেছে। সড়কের দুপাশের মাটি ধসে গিয়ে বড় বড় গর্ত তৈরি হওয়ায় ভারী যানবাহন তো দূরের কথা, রিকশা, ভ্যান, মোটরসাইকেল এমনকি পথচারীদের চলাচলও দুরূহ হয়ে পড়েছে।
সিএনজি ও ট্রাকচালকরা প্রতিদিন বাধ্য হয়ে চরম ঝুঁকি নিয়ে এই সড়কে যাতায়াত করছেন।
এই জনভোগান্তির বিষয়ে ঠিকাদার রাশেদুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। চিলমারী উপজেলা প্রকৌশলী জুলফিকার আলী জানান, জনস্বার্থ বিবেচনা করে প্রকল্পের মেয়াদ পুনরায় বাড়ানো হয়েছে।
এই জনভোগান্তির বিষয়ে ঠিকাদার রাশেদুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। চিলমারী উপজেলা প্রকৌশলী জুলফিকার আলী জানান, জনস্বার্থ বিবেচনা করে প্রকল্পের মেয়াদ পুনরায় বাড়ানো হয়েছে।
একই সাথে সড়কের বাকি কাজ দ্রুততম সময়ের মধ্যে শেষ করার জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ইতিমধ্যে দাপ্তরিক চিঠি দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়রা আশা করছেন, প্রশাসন কঠোর হয়ে দ্রুত এই সড়কটির সংস্কার নিশ্চিত করবে।