স্থানীয়রা বলছেন, ভাঙন ঠেকাতে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে গিয়েও কোন কাজ হয়নি। নিজেদের শেষ সম্বলটুকু বাঁচাতে নিজেরাই গাছের ডালপালা ফেলে ভাঙন ঠেকাতে কাজ করছি । দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে নদী পাড়ের এসব গ্রাম।
সরকার গঠনের মাত্র তিন মাসের মধ্যেই নদীভাঙন রোধে কার্যকর ও দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করায় ভাঙনকবলিত ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে নতুন করে বেঁচে থাকার আশার সঞ্চার হয়েছে বলে জানিয়েছেন শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু।