Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

Home Ad
collapse
Home / ঢাকা বিভাগ / সারাদেশ / শরীয়তপুর / শরীয়তপুরে মাটি থেকে ধোঁয়া, গ্যাসের উপস্থিতি পায়নি বাপেক্স - Chief TV

শরীয়তপুরে মাটি থেকে ধোঁয়া, গ্যাসের উপস্থিতি পায়নি বাপেক্স - Chief TV

2026-06-08  ডেস্ক রিপোর্ট  23 views
শরীয়তপুরে মাটি থেকে ধোঁয়া, গ্যাসের উপস্থিতি পায়নি বাপেক্স - Chief TV
শরীয়তপুরের গোসাইরহাটে মাটির তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে ধোঁয়া উঠার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্সের একটি বিশেষ দল। প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সেখানে কোনো প্রাকৃতিক গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
 
সোমবার দুপুরে গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভেতরে ধোঁয়া ওঠা স্থানটি সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) ভূতত্ত্ব ও ভূতাত্ত্বিক বিভাগের উপ-ব্যবস্থাপক ইমামুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানান। এর ফলে গত কয়েকদিন ধরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে তৈরি হওয়া আতঙ্ক ও কৌতূহলের অবসান ঘটেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার থেকে গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভেতরের একটি অংশের মাটির তাপমাত্রা হঠাৎ করেই বাড়তে শুরু করে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে খালি হাতে মাটি স্পর্শ করলেই অস্বাভাবিক তাপ অনুভূত হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সেখান থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়।
 
এই অলৌকিক কাণ্ড দেখতে হাসপাতাল চত্বরে উৎসুক মানুষের উপচে পড়া ভিড় জমে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শনিবার বিকেলে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাটির নিচে গর্ত করে পানি ঢেলে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়।
 
কিন্তু তাতেও মাটির ভেতরের উত্তাপ না কমায় বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয় এবং পরবর্তীতে সরকারের ভূতাত্ত্বিক অনুসন্ধান সংস্থা বাপেক্সকে অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

সোমবার দুপুরে বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে অগ্নিশিখা পরীক্ষাসহ বেশ কয়েকটি আধুনিক বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালায়। পরীক্ষা শেষে বাপেক্সের উপ-ব্যবস্থাপক ইমামুল ইসলাম জানান, সেখানে মাটির নিচে কোনো ধরনের খনিজ বা প্রাকৃতিক গ্যাসের অস্তিত্ব নেই।
 
বিশেষজ্ঞরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন, মাটির নিচে থাকা বৈদ্যুতিক সংযোগের কোনো গোপন স্পার্ক বা শর্ট সার্কিট থেকে এই তীব্র তাপের সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে। এ ছাড়া পুরোনো হাসপাতাল এলাকা হওয়ায় অতীতে ফেলে রাখা নির্মাণকাজের রঙ, রাসায়নিক বর্জ্য কিংবা ভূগর্ভস্থ ময়লা-আবর্জনা পচে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমেও এমন ধোঁয়া ও তাপ উৎপন্ন হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

Share: