ইরানের দীর্ঘদিনের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে তার জন্মশহর মাশহাদের পবিত্র ইমাম রেজা মাজারে দাফন করা হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) ভোরে অত্যন্ত কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাকে সমাহিত করার মাধ্যমে সপ্তাহব্যাপী চলা শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় ইরানের এই শীর্ষ নেতা নিহত হন। যুদ্ধের শুরুর দিকে ঘটে যাওয়া ওই আকস্মিক হামলায় তিনি এবং তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য প্রাণ হারান।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় ইরানের এই শীর্ষ নেতা নিহত হন। যুদ্ধের শুরুর দিকে ঘটে যাওয়া ওই আকস্মিক হামলায় তিনি এবং তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য প্রাণ হারান।
নিরাপত্তার কারণে এবং যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে দীর্ঘ চার মাস তার মরদেহ রাখা হয়, পরবর্তীতে জুলাই মাসের শুরুতে তার শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করা হয়।
তেহরান থেকে শুরু করে ইরানের বিভিন্ন শহর এবং ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় তার কফিন নিয়ে শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার বিশাল জনসমুদ্রের উপস্থিতিতে মাশহাদে পৌঁছায় তার মরদেহ।
তেহরান থেকে শুরু করে ইরানের বিভিন্ন শহর এবং ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় তার কফিন নিয়ে শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার বিশাল জনসমুদ্রের উপস্থিতিতে মাশহাদে পৌঁছায় তার মরদেহ।
শোকযাত্রায় লাখো মানুষ অংশ নিয়ে তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। ইরানের ইতিহাসে খামেনি হলেন দ্বিতীয় শাসক, যাকে মাশহাদে সমাহিত করা হলো। এর আগে ১৭৪৭ সালে নাদের শাহকে এই শহরে দাফন করা হয়েছিল।
খামেনির মৃত্যুর পর তার ছেলে আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনিকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। তবে বাবার শেষকৃত্যের পুরো সময়কালেই জনসমক্ষে তাকে দেখা যায়নি।
খামেনির মৃত্যুর পর তার ছেলে আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনিকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। তবে বাবার শেষকৃত্যের পুরো সময়কালেই জনসমক্ষে তাকে দেখা যায়নি।
বিভিন্ন সূত্রে ধারণা করা হচ্ছে, যে বিমান হামলায় তার বাবা নিহত হন, সেই একই হামলায় মোজতবা গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন ও নিরাপত্তার খাতিরে লোকচক্ষুর আড়ালে রয়েছেন