গাইবান্ধা সরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকার পরিবর্তে বিদেশি রাষ্ট্রের পতাকা উত্তোলনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে গাইবান্ধা জেলা কারাগার নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধের দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতীক লাল-সবুজের জাতীয় পতাকা। দেশের সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নির্ধারিত বিধি অনুযায়ী জাতীয় পতাকা উত্তোলনের প্রচলন রয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধের দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতীক লাল-সবুজের জাতীয় পতাকা। দেশের সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নির্ধারিত বিধি অনুযায়ী জাতীয় পতাকা উত্তোলনের প্রচলন রয়েছে।
তবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ছবি ও ভিডিওতে দাবি করা হয়, গাইবান্ধা জেলা কারাগারের একটি উঁচু স্থানে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার পরিবর্তে আর্জেন্টিনার পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে।
বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ফুটবলকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশের প্রভাব বাংলাদেশেও রয়েছে। অনেকেই প্রিয় দলের সমর্থনে বিভিন্ন স্থানে পতাকা উত্তোলন করেন।
বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ফুটবলকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশের প্রভাব বাংলাদেশেও রয়েছে। অনেকেই প্রিয় দলের সমর্থনে বিভিন্ন স্থানে পতাকা উত্তোলন করেন।
তবে অভিযোগ উঠেছে, একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা হিসেবে গাইবান্ধা জেলা কারাগারের শীর্ষস্থানে জাতীয় পতাকার পরিবর্তে বিদেশি পতাকা ওড়ানো হয়েছে, যা সরকারি প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা ও জাতীয় পতাকার সম্মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২ অনুযায়ী সরকারি প্রতিষ্ঠানে নির্ধারিত নিয়মে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের বিধান রয়েছে। সরকারি ভবনে বিদেশি পতাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন ও প্রটোকল অনুসরণ করতে হয়।
এ বিষয়ে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, ফুটবলপ্রেমীরা তাদের পছন্দের দলের পতাকা ব্যবহার করতেই পারেন। তবে সেটি যেন কখনোই বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার মর্যাদা ক্ষুণ্ন না করে।
তাদের মতে, সরকারি ভবনে জাতীয় পতাকার পরিবর্তে অন্য কোনো দেশের পতাকা উত্তোলন অনাকাঙ্ক্ষিত এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানা যায়নি। তবে বিষয়টি নিয়ে জনমনে আলোচনা-সমালোচনা চলছে এবং প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানা যায়নি। তবে বিষয়টি নিয়ে জনমনে আলোচনা-সমালোচনা চলছে এবং প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।