ঈদের পরদিন আয়োজিত এই মানবিক কর্মসূচির আওতায় তিনটি গরুর কুরবানির গোশত এবং প্রয়োজনীয় ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিপুল সংখ্যক দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবার উপকৃত হয়।
হাটে দেশীয় জাতের গরুর পাশাপাশি উন্নত জাতের গরু ও মহিষের সমাহার দেখা গেছে। ক্রেতারা তাদের পছন্দ ও সামর্থ্য অনুযায়ী পশু কিনতে ভিড় করছেন। বিক্রেতারাও আশা করছেন, ঈদ যত ঘনিয়ে আসবে বেচাকেনা আরও বাড়বে।
হাট ইজারাদারের পক্ষ থেকে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের জন্য নেয়া হয়েছে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা। বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, পশু রাখার নির্দিষ্ট স্থান, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সার্বক্ষণিক পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালু রয়েছে।