নিখোঁজের ১৮ দিন পর নিজ বাড়ির আঙিনার প্রায় ১০ ফুট গভীর মাটির নিচ থেকে গৃহবধূ জায়েদা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী আলমগীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আয়েশা বেগম তাৎক্ষণিক মুঠোফোনে ঢাকায় অবস্থানরত তার ছেলে আশিককে বিষয়টি জানান। এরপর শনিবার বিকেলে আশিক গ্রামে ফিরে এসে নজরুলের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে এবং এক পর্যায়ে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।
প্রথমে বিষয়টি নিয়ে নানা রহস্য ও জল্পনা-কল্পনার ডালপালা মেললেও পরবর্তীতে পুলিশি তদন্তে বেরিয়ে আসে আসল তথ্য। পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে, উদ্ধার হওয়া কঙ্কালটি কোনো অপরাধমূলক ঘটনার অংশ নয়, বরং এটি একটি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীর ব্যবহারিক ক্লাসের শিক্ষাসামগ্রী।
আটক ব্যক্তির নাম মো. মুক্তল হোসেন (৫০)। তিনি উপজেলার মাশিকাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। স্থানীয়দের অভিযোগের পর তাকে ঘিরে রাখে এলাকাবাসী এবং পরে আটক করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও এর আগেই একটি পক্ষ তাকে চিকিৎসার কথা বলে সেখান থেকে সরিয়ে নেয়।
জয়পুরহাট সদর উপজেলার দুর্গাদহ ঢুলিপাড়া এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, স্বামীর নির্যাতনে তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ।