আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ জুলাই রাত থেকে শুরু হওয়া এই বৃষ্টিপাত ১০ জুলাই দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। এ সময়ে জেলায় রেকর্ড পরিমাণ ২৯৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ।
পাহাড়ি ঢলের প্রবল স্রোতে ভেসে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন দুই যুবক। বুধবার (৮ জুলাই) দিবাগত রাত ও বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) পৃথক দুটি ঘটনায় এই নিখোঁজের ঘটনা ঘটে। নিখোঁজদের সন্ধানে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন।
সকাল ৮টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চট্টগ্রাম পৌঁছানোর পরপরই তিনি সরাসরি বন্যাকবলিত বাঁশখালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। পানিবন্দি ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দুর্দশা সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেন এবং তাদের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।
টানা ভারি বর্ষণ এবং ভারতের গজলডোবা ব্যারাজের সবগুলো গেট একসাথে খুলে দেওয়ায় উজান থেকে ধেয়ে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।