নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলায় পূর্ব বিরোধের জের ধরে জনসাধারণের নিত্যদিনের চলাচলের একমাত্র কাঁচা রাস্তাটি কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার বাকলজোড়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের পাইকপাড়া গ্রামে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটে।
দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সরকারি অনুদান ও প্রকল্পের আওতায় নির্মিত এই রাস্তাটি হঠাৎ করে ধ্বংস করে দেওয়ায় চরম ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। রাস্তা কেটে ফেলার কারণে বর্তমানে স্কুলগামী কোমলমতি শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ জমির আইল দিয়ে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণভাবে চলাচল করছেন, যার ফলে এলাকায় তীব্র জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, পাইকপাড়া মৌজার শামসুদ্দিনের বাড়ি হতে সাহেদ মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ২০০ ফুট দীর্ঘ রাস্তাটি স্থানীয় সোহেল মিয়া, সাহেদ আলী, রহমত আলী ও কাজল মিয়ার পরিকল্পনা ও নির্দেশে জোরপূর্বক কেটে ফেলা হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, পাইকপাড়া মৌজার শামসুদ্দিনের বাড়ি হতে সাহেদ মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ২০০ ফুট দীর্ঘ রাস্তাটি স্থানীয় সোহেল মিয়া, সাহেদ আলী, রহমত আলী ও কাজল মিয়ার পরিকল্পনা ও নির্দেশে জোরপূর্বক কেটে ফেলা হয়েছে।
অভিযুক্তরা নিজেদের পেশীশক্তি ও প্রভাব খাটিয়ে রাস্তার মাটি কেটে অন্যত্র সরিয়ে ফেলে পুরো রাস্তার চিহ্নই মুছে দেয়। মাটি কাটার সময় গ্রামের সাধারণ মানুষ বাধা দিতে গেলে তাদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধামকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে দমিয়ে রাখা হয় বলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা রুবেল মিয়া, মামুন মিয়া ও মো. শাহজাহান এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, রাস্তাটি ধ্বংস করে দেওয়ায় তারা বিচ্ছিন্ন ও অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা রুবেল মিয়া, মামুন মিয়া ও মো. শাহজাহান এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, রাস্তাটি ধ্বংস করে দেওয়ায় তারা বিচ্ছিন্ন ও অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।
এই দুর্ভোগ নিরসনে তারা স্থানীয় প্রশাসন ও একই সাথে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
তারা অবিলম্বে রাস্তাটি পুনর্নির্মাণ করাসহ এই অপকর্মের সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই গত ২৯ জুন দুর্গাপুর উপজেলা প্রশাসনের কাছে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে।