জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে বর্তমান সংসদকে ‘ঋণখেলাপিদের সংসদ’ আখ্যায়িত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বক্তব্য রাখার সময় তিনি দেশের ব্যাংকিং খাত ও সংসদের শুদ্ধাচার নিয়ে এই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন।
নাহিদ ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, “সংসদে নির্বাচনের আগেও ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে কথা বলেছি, অথচ ঋণখেলাপিদের নমিনেশন দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের পরেও আমার প্রথম অধিবেশনের বক্তব্যে এইখানে অনেক সংসদ সদস্য—তাদের কত কত ঋণখেলাপি রয়েছে, সেই সংখ্যা আমি উল্লেখ করেছি; তবে তাদের সম্মানার্থে নাম প্রকাশ করিনি।”
নাহিদ ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, “সংসদে নির্বাচনের আগেও ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে কথা বলেছি, অথচ ঋণখেলাপিদের নমিনেশন দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের পরেও আমার প্রথম অধিবেশনের বক্তব্যে এইখানে অনেক সংসদ সদস্য—তাদের কত কত ঋণখেলাপি রয়েছে, সেই সংখ্যা আমি উল্লেখ করেছি; তবে তাদের সম্মানার্থে নাম প্রকাশ করিনি।”
তিনি ক্ষমতাসীন দলের সমালোচনা করে আরও বলেন, “এখন যদি সংসদে এতগুলো ঋণখেলাপি থাকে, তাহলে এই সংসদকে তো ঋণখেলাপিদের সংসদই বলবে। সরকারদলীয় লোকেরা যারা মেজরিটি (টু-থার্ড মেজরিটি) করেছে, তারা ঋণখেলাপিদের সংসদে নিয়ে এসেছে—এটা সাধারণ মানুষ স্বাভাবিকভাবেই বলবে।”
এদিকে একই অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কুমিল্লার দেবীদ্বারের মাদক সমস্যা ও স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সীমাবদ্ধতা তুলে ধরেন বিএনপির সংসদ সদস্য মো. সেলিম ভূঁইয়া। মাদক কারবারিদের দমনে পুলিশের পরিবহন সংকটের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমার এলাকার পুলিশ প্রশাসনকে যদি বলা হয় ইয়াবা ব্যবসায়ীদেরকে ধরেন, তখন তারা বলেন—আমরা কীভাবে ধরব, আমাদের তো গাড়ি নেই।”
এদিকে একই অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কুমিল্লার দেবীদ্বারের মাদক সমস্যা ও স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সীমাবদ্ধতা তুলে ধরেন বিএনপির সংসদ সদস্য মো. সেলিম ভূঁইয়া। মাদক কারবারিদের দমনে পুলিশের পরিবহন সংকটের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমার এলাকার পুলিশ প্রশাসনকে যদি বলা হয় ইয়াবা ব্যবসায়ীদেরকে ধরেন, তখন তারা বলেন—আমরা কীভাবে ধরব, আমাদের তো গাড়ি নেই।”
এই সমস্যার সমাধানে তিনি স্পিকারের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “পুলিশ প্রশাসনকে গাড়ি দেন। তবুও ইয়াবা ব্যবসায়ীদের ধরার ব্যবস্থা করেন।” সংসদে দুই দলের দুই সংসদ সদস্যের এমন জনগুরুত্বপূর্ণ ও আক্রমণাত্মক বক্তব্য উপস্থিত অন্য সদস্যদের মাঝে বেশ আলোচনার সৃষ্টি করে।