হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালের বহির্বিভাগের গেটের সামনে একটি ব্যাগ থেকে মানুষের কঙ্কাল উদ্ধারকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার সকালে হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে কঙ্কালটি পড়ে থাকতে দেখে উৎসুক জনতার উপচে পড়া ভিড় জমে এবং পুরো এলাকায় এক ধরনের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
প্রথমে বিষয়টি নিয়ে নানা রহস্য ও জল্পনা-কল্পনার ডালপালা মেললেও পরবর্তীতে পুলিশি তদন্তে বেরিয়ে আসে আসল তথ্য। পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে, উদ্ধার হওয়া কঙ্কালটি কোনো অপরাধমূলক ঘটনার অংশ নয়, বরং এটি একটি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীর ব্যবহারিক ক্লাসের শিক্ষাসামগ্রী।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে হাসপাতালের বহির্বিভাগের গেটের সামনে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি ব্যাগের সাথে কঙ্কালটি পড়ে থাকতে দেখেন সাধারণ মানুষ। রাতের আঁধারে কেউ লাশ বা কঙ্কাল ফেলে গেছে এমন আশঙ্কায় দ্রুত পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে হাসপাতালের বহির্বিভাগের গেটের সামনে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি ব্যাগের সাথে কঙ্কালটি পড়ে থাকতে দেখেন সাধারণ মানুষ। রাতের আঁধারে কেউ লাশ বা কঙ্কাল ফেলে গেছে এমন আশঙ্কায় দ্রুত পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
ঘটনার খবর পেয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শুরু করে। পরবর্তীতে ব্যাগের ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে একটি আইডি কার্ড বা পরিচয়পত্র পাওয়া যায়, যার সূত্র ধরে পুরো রহস্যের জট খুলে যায়।
হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়ে জানান, উদ্ধার হওয়া কঙ্কালটি হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের অ্যানাটমি বা ব্যবহারিক ক্লাসে ব্যবহৃত একটি মানব কঙ্কাল।
হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়ে জানান, উদ্ধার হওয়া কঙ্কালটি হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের অ্যানাটমি বা ব্যবহারিক ক্লাসে ব্যবহৃত একটি মানব কঙ্কাল।
প্রকৃতপক্ষে, গত বৃহস্পতিবার কোনো এক সময় এক মেডিকেল শিক্ষার্থী রিকশায় যাতায়াতের সময় অসাবধানতাবশত কঙ্কালের ব্যাগটি রিকশাতেই ফেলে যান। পরে রিকশাচালক ব্যাগের ভেতরে কঙ্কাল দেখে প্রচণ্ড ভয় পেয়ে যান এবং সেটি নিয়ে কী করবেন বুঝতে না পেরে নিরাপদ মনে করে হাসপাতালের গেটের ভেতরে রেখে চলে যান।
পরিচয়পত্রের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে এবং যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পুলিশি এই ব্যাখ্যার পর স্থানীয়দের মাঝে ছড়িয়ে পড়া আতঙ্ক কেটে গেছে। তবে মানব কঙ্কালের মতো সংবেদনশীল শিক্ষাসামগ্রী বহনের ক্ষেত্রে মেডিকেল শিক্ষার্থীদের আরও দায়িত্বশীল ও সতর্ক হওয়া উচিত বলে মনে করছেন সচেতন মহল।