ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক অবৈধভাবে বাংলাদেশে মানুষ ঠেলে দেওয়ার বা ‘পুশইন’ করার কথিত অপচেষ্টা নস্যাৎ করতে দিনাজপুরের ফুলবাড়ী সীমান্তে নজরদারি ব্যাপক জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সীমান্তজুড়ে টহল বৃদ্ধি, কঠোর নিরাপত্তা বলয় এবং সার্বক্ষণিক আধুনিক নজরদারির মাধ্যমে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন বিজিবি সদস্যরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো থেকে জানা গেছে, সম্প্রতি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের বিভিন্ন সংবেদনশীল পয়েন্ট দিয়ে বাংলা ভাষাভাষী বেশ কিছু ভারতীয় নাগরিককে জোরপূর্বক বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চালিয়েছে বিএসএফ। তবে বিজিবির তাৎক্ষণিক ও অনড় অবস্থানের কারণে বিএসএফের এসব অনৈতিক চেষ্টা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।
সীমান্তের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, এর আগে দিনাজপুরের হিলি, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁওসহ কয়েকটি সীমান্ত এলাকা দিয়ে বিভিন্ন সময়ে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ বেশ কয়েকজন ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশে পুশইন করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে প্রতিবারই বিজিবির সক্রিয় তৎপরতা ও কঠোর প্রতিরোধের মুখে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী পিছু হটতে বাধ্য হয়।
সীমান্তের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, এর আগে দিনাজপুরের হিলি, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁওসহ কয়েকটি সীমান্ত এলাকা দিয়ে বিভিন্ন সময়ে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ বেশ কয়েকজন ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশে পুশইন করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে প্রতিবারই বিজিবির সক্রিয় তৎপরতা ও কঠোর প্রতিরোধের মুখে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী পিছু হটতে বাধ্য হয়।
বর্তমান উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ফুলবাড়ী ২৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সবকটি সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও নিখুঁত করা হয়েছে। সীমান্তে নিয়মিত ও বিশেষ টহলের পাশাপাশি সন্দেহজনক যেকোনো গতিবিধি বা অনুপ্রবেশের চেষ্টাকে কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে। দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবিকে স্থানীয় গ্রামবাসীরাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করছেন বলে জানা গেছে।
বিজিবি সদর দপ্তর সূত্রে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ কিংবা পুশইনের যেকোনো ধরনের অপচেষ্টা কঠোর হস্তে প্রতিরোধে জোয়ানরা সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছেন এবং দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত সুরক্ষায় কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।
বিজিবি সদর দপ্তর সূত্রে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ কিংবা পুশইনের যেকোনো ধরনের অপচেষ্টা কঠোর হস্তে প্রতিরোধে জোয়ানরা সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছেন এবং দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত সুরক্ষায় কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।
ফুলবাড়ী ২৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ আরিফ-উজ-জামান (পিএসসি) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, সীমান্ত এলাকায় বিজিবি সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্কতা ও কঠোর অবস্থানে থেকে দিনরাত দায়িত্ব পালন করছেন।
কোনো ভারতীয় নাগরিক যেন অবৈধভাবে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে না পারে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আরও যোগ করেন, সীমান্তে অনুপ্রবেশ প্রতিরোধের পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযানও নিয়মিত পরিচালনা করা হচ্ছে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিজিবি সর্বদা অঙ্গীকারবদ্ধ।