চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় বন্যার পানির মধ্যে কলাগাছের তৈরি ভেলায় মরদেহ বহনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি ঘিরে নানা ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ালেও স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ঘটনাটি সত্য হলেও এর সঙ্গে প্রচারিত অনেক তথ্যই ভুল ও বিকৃত।
মৃত ব্যক্তি কেঁওচিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোহাম্মদ ফোরকান (ড্রাইভার)। স্থানীয়দের তথ্যমতে, গত শুক্রবার ভোরে তার মৃত্যু হয়।
মৃত ব্যক্তি কেঁওচিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোহাম্মদ ফোরকান (ড্রাইভার)। স্থানীয়দের তথ্যমতে, গত শুক্রবার ভোরে তার মৃত্যু হয়।
পরে বন্যার পানিতে পুরো এলাকা প্লাবিত থাকায় স্বাভাবিকভাবে মরদেহ কবরস্থানে নেওয়ার সুযোগ ছিল না। আশপাশে দাফনের উপযোগী শুকনো জায়গা না পাওয়ায় স্বজন ও স্থানীয়রা কয়েকটি কলাগাছ দিয়ে অস্থায়ী ভেলা তৈরি করেন।
সেই ভেলায় করে মরদেহটি কবরস্থানে নেওয়া হয়। দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার পর জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয় বলে জানিয়েছে পরিবার ও স্থানীয়রা।
সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খোন্দকার মাহমুদুল হাসান জানান, ভেলায় মরদেহ বহনের ঘটনা সত্য হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
সেই ভেলায় করে মরদেহটি কবরস্থানে নেওয়া হয়। দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার পর জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয় বলে জানিয়েছে পরিবার ও স্থানীয়রা।
সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খোন্দকার মাহমুদুল হাসান জানান, ভেলায় মরদেহ বহনের ঘটনা সত্য হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ওই ব্যক্তি মাছ ধরতে গিয়ে স্ট্রোক করে মারা যান। ঘটনার সময় সেখানে কোনো নৌকা না থাকায় যে ভেলায় তিনি মাছ ধরছিলেন, সেটিতেই মরদেহ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।
ইউএনও আরও জানান, ভিডিওটি এমনভাবে প্রচার করা হয়েছে যেন বন্যার কারণে দাফনের জায়গা না পেয়ে মরদেহ ভাসিয়ে নেওয়া হয়েছে বা প্রশাসনের কোনো সহায়তা ছিল না।
ইউএনও আরও জানান, ভিডিওটি এমনভাবে প্রচার করা হয়েছে যেন বন্যার কারণে দাফনের জায়গা না পেয়ে মরদেহ ভাসিয়ে নেওয়া হয়েছে বা প্রশাসনের কোনো সহায়তা ছিল না।
বাস্তবে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। তিনি সবাইকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার আগে যাচাই করার আহ্বান জানান।
এদিকে, সাতকানিয়ায় বন্যার পানির স্রোতে ক্ষতিগ্রস্ত একটি কবরস্থান থেকে তিনটি মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয়রা নিরাপদ স্থানে পুনরায় দাফন করেছেন বলেও জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
এদিকে, সাতকানিয়ায় বন্যার পানির স্রোতে ক্ষতিগ্রস্ত একটি কবরস্থান থেকে তিনটি মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয়রা নিরাপদ স্থানে পুনরায় দাফন করেছেন বলেও জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।