দক্ষিণ ভারতের কিংবদন্তি প্লেব্যাক শিল্পী এস জানকী আর নেই। বয়সজনিত শারীরিক জটিলতায় শনিবার (১১ জুলাই) ভারতের মহীশূরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর।
পরিবারের পক্ষ থেকে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। তার নাতনি এক আবেগঘন বার্তায় জানান, শান্তিপূর্ণভাবেই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছেন এই কিংবদন্তি শিল্পী। তার মৃত্যুতে ভারতীয় চলচ্চিত্র ও সংগীতজগতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
সিস্তলা শ্রীরামমূর্তি জানকী, যিনি শ্রোতাদের কাছে এস জানকী নামে পরিচিত, ১৯৩৮ সালের ২৩ এপ্রিল ভারতের বর্তমান অন্ধ্র প্রদেশের গুন্টুরে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলা থেকেই সংগীতের প্রতি আগ্রহী ছিলেন তিনি এবং মাত্র নয় বছর বয়সে প্রথমবারের মতো মঞ্চে গান পরিবেশন করেন।
১৯৫৭ সালে তেলুগু চলচ্চিত্র ‘এমএলএ’-এর ‘নী আশা আদিয়াসা’ গান দিয়ে প্লেব্যাক শিল্পী হিসেবে তার যাত্রা শুরু হয়। এরপর তামিল, তেলুগু, মালয়ালম, কন্নড়, হিন্দি, বাংলা, ওড়িয়াসহ প্রায় ২০টি ভাষায় গান গেয়ে কোটি শ্রোতার হৃদয় জয় করেন তিনি।
দীর্ঘ সংগীতজীবনে ৪০ হাজারের বেশি গান রেকর্ড করেছেন এস জানকী। অসাধারণ প্রতিভার স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন চারটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং বিভিন্ন ভাষায় ৩৩টি রাজ্য চলচ্চিত্র পুরস্কার।
সুরকার ইলাইয়ারাজার সঙ্গে তার অসংখ্য গান আজও জনপ্রিয়। ‘ইঞ্জি ইডুপাঝাগি’, ‘সেন্থুরা পুভে’ ও ‘কানমানি আনবোদু’সহ তার অনেক গান সংগীতপ্রেমীদের কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে।
২০১৩ সালে ভারত সরকার তাকে পদ্মভূষণ সম্মানে ভূষিত করতে চাইলে তা গ্রহণ করেননি এস জানকী। তার দাবি ছিল, দীর্ঘ ৫৫ বছরের সংগীতজীবনের পর এই সম্মান অনেক দেরিতে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দক্ষিণ ভারতের শিল্পীরা জাতীয় পর্যায়ে যথাযথ স্বীকৃতি পান না বলেও তিনি মন্তব্য করেছিলেন।
জীবনের শেষ কয়েক বছর জনসমক্ষে কম দেখা গেলেও সংগীতপ্রেমীদের কাছে এস জানকী ছিলেন এক অনন্য প্রতিভার নাম। তার মৃত্যুতে ভারতীয় সংগীতাঙ্গনে সৃষ্টি হয়েছে এক অপূরণীয় শূন্যতা।
পরিবারের পক্ষ থেকে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। তার নাতনি এক আবেগঘন বার্তায় জানান, শান্তিপূর্ণভাবেই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছেন এই কিংবদন্তি শিল্পী। তার মৃত্যুতে ভারতীয় চলচ্চিত্র ও সংগীতজগতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
সিস্তলা শ্রীরামমূর্তি জানকী, যিনি শ্রোতাদের কাছে এস জানকী নামে পরিচিত, ১৯৩৮ সালের ২৩ এপ্রিল ভারতের বর্তমান অন্ধ্র প্রদেশের গুন্টুরে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলা থেকেই সংগীতের প্রতি আগ্রহী ছিলেন তিনি এবং মাত্র নয় বছর বয়সে প্রথমবারের মতো মঞ্চে গান পরিবেশন করেন।
১৯৫৭ সালে তেলুগু চলচ্চিত্র ‘এমএলএ’-এর ‘নী আশা আদিয়াসা’ গান দিয়ে প্লেব্যাক শিল্পী হিসেবে তার যাত্রা শুরু হয়। এরপর তামিল, তেলুগু, মালয়ালম, কন্নড়, হিন্দি, বাংলা, ওড়িয়াসহ প্রায় ২০টি ভাষায় গান গেয়ে কোটি শ্রোতার হৃদয় জয় করেন তিনি।
দীর্ঘ সংগীতজীবনে ৪০ হাজারের বেশি গান রেকর্ড করেছেন এস জানকী। অসাধারণ প্রতিভার স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন চারটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং বিভিন্ন ভাষায় ৩৩টি রাজ্য চলচ্চিত্র পুরস্কার।
সুরকার ইলাইয়ারাজার সঙ্গে তার অসংখ্য গান আজও জনপ্রিয়। ‘ইঞ্জি ইডুপাঝাগি’, ‘সেন্থুরা পুভে’ ও ‘কানমানি আনবোদু’সহ তার অনেক গান সংগীতপ্রেমীদের কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে।
২০১৩ সালে ভারত সরকার তাকে পদ্মভূষণ সম্মানে ভূষিত করতে চাইলে তা গ্রহণ করেননি এস জানকী। তার দাবি ছিল, দীর্ঘ ৫৫ বছরের সংগীতজীবনের পর এই সম্মান অনেক দেরিতে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দক্ষিণ ভারতের শিল্পীরা জাতীয় পর্যায়ে যথাযথ স্বীকৃতি পান না বলেও তিনি মন্তব্য করেছিলেন।
জীবনের শেষ কয়েক বছর জনসমক্ষে কম দেখা গেলেও সংগীতপ্রেমীদের কাছে এস জানকী ছিলেন এক অনন্য প্রতিভার নাম। তার মৃত্যুতে ভারতীয় সংগীতাঙ্গনে সৃষ্টি হয়েছে এক অপূরণীয় শূন্যতা।