বাংলাদেশের ইতিহাসে একক বৃহত্তম ও সবচেয়ে ব্যয়বহুল প্রকল্প ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র’ এখন আর কেবল স্বপ্ন নয়, বরং দৃশ্যমান এক বাস্তবতা। পাবনার ঈশ্বরদীতে পদ্মার তীরে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা এই বিশালাকার স্থাপনাটি বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রায় যোগ করছে এক নতুন মাত্রা। কিন্তু বিশাল এই সম্ভাবনা যেমন আশার আলো দেখাচ্ছে, তেমনি জনমনে রয়েছে এর ঝুঁকি ও সুরক্ষা নিয়ে নানা প্রশ্ন।
পারমাণবিক শক্তি মানেই ভয়ানক অস্ত্র, ধ্বংস এবং বিস্ময়কর ও ভীতিকর এক শক্তি মনে করে থাকেন অনেকে। কিন্তু বর্তমান বিশ্বের আধুনিকায়নে এবং প্রযুক্তির বিকাশে সর্বক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে কার্যকর পারমাণবিক শক্তি। বিশেষ করে বিদ্যুৎ উৎপাদনে গোটা বিশ্বে এটি খুবই কার্যকরী একটি উৎস। তবে, এর সংবেদশীলতাও রয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য তৈরি পারমাণবিক স্থাপনা নির্মাণে পেরোতে হয় নিরাপত্তামূলক নানা ধাপ।
পাবনার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে ইউরেনিয়াম জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম ও ফিজিক্যাল স্টার্টআপ শুরু হচ্ছে আজ। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকালে এই লোডের মাধ্যমেই পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের যুগে প্রবেশ করবে দেশ।
পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের এলাকায় পরিত্যক্ত কাঠের স্তূপে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিটের