গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় সরকারি কেজি স্কুলগুলোতে বিনামূল্যে বই বিতরণের প্রক্রিয়ায় অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মুকুল চন্দ্র বর্মন এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসার নুর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে।
জানা যায়, উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌর এলাকায় ২৫৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশাপাশি ১২৩টি কেজি স্কুল, ১১৭টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৭টি নিবন্ধিত প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বিভিন্ন এনজিও পরিচালিত ৫০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এসব বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের তালিকা অনুযায়ী মোট ৮৫,৩৮৯ জন শিক্ষার্থীকে বই বিতরণ করা হয়েছে।
কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, তালিকা অনুযায়ী বিনামূল্যে বিতরণ হওয়া বইগুলোর জন্য কেজি স্কুলগুলোতে স্কুল প্রতি ২ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করা হয়। স্কুল কর্তৃপক্ষ জানান, যারা এই অর্থ দিতে অস্বীকার করেছেন, তাদের বই সরবরাহ করা হয়নি। ফলে বাধ্য হয়ে অর্থ প্রদান করেই শিক্ষক ও অভিভাবকরা বই পেতে বাধ্য হয়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু কেজি স্কুল কর্মকর্তা অভিযোগ করেছেন, এ প্রক্রিয়ায় উপজেলার বিভিন্ন স্থান যেমন পাঁচপীর, ধর্মপুর, চন্ডিপুর, শোভাগঞ্জ, কঞ্চিবাড়ী ও ছাপড়হাটীর স্কুলগুলো প্রভাবিত হয়েছে।
অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার মুকুল চন্দ্র বর্মন বিষয়টি অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “বই বিতরণের সঙ্গে কোনো অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেনি।”
একইভাবে উপজেলা শিক্ষা অফিসার নুর মোহাম্মদও অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “কিছু কেজি স্কুল আছে যেখানে আমরা বই বিতরণ করি নি। হয়তো সেই স্কুলগুলোই এ ধরনের অভিযোগ করছে।”