প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শিক্ষা, গবেষণা, শিল্প-সাহিত্য এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে রাজনীতিকীকরণ কোনো সভ্য সমাজের লক্ষণ নয়। দেশের জ্ঞান-বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিচর্চাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নৈতিক মানসম্পন্ন উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় সরকার কাজ করছে।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে একুশে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, একুশে পদক শুধু সম্মাননা নয়, এটি ভাষা আন্দোলন ও দেশের ঐতিহাসিক ঘটনা স্বীকৃতির পাশাপাশি শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্পকলা ও গবেষণায় অবদানের পরিচয় বহন করে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ১৯৭৬ সালে তিনটি বিষয়ে পদক দিয়ে যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে অন্তত ১২টি ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি প্রদান করা হচ্ছে। জ্ঞান-বিজ্ঞান ও শিল্প-সাহিত্য চর্চা বিকশিত করতে শিক্ষা, গবেষণা ও সংস্কৃতিচর্চা জোরদারে রাষ্ট্রের ভূমিকা অপরিহার্য।
ফেব্রুয়ারি মাসকে দেশের আত্মপরিচয়ের স্মারক আখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং স্বাধিকার আদায়ের প্রতীক। এ উপলক্ষে দেশের গুণীজনদের একুশে পদকে ভূষিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্বের অংশ।
তিনি পদকপ্রাপ্তদের উদ্দেশে বলেন, “আপনাদের সৃজনমুখর জীবন দীর্ঘ ও কল্যাণময় হোক। আল্লাহ আপনারা জীবন ও কর্মে সফল হোন।”