অনলাইন জুয়া থাই লটারি প্রতারণার অভিযোগে নীলফামারীর সৈয়দপুরে সাহিদ (২৮) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।
রোববার (১২ জুলাই) রাতে শহরের ইসলামবাগ এলাকা থেকে সৈয়দপুর থানা পুলিশ তাকে আটক করে। সাহিদ সৈয়দপুরের উপশহর ঢেলাপীর উত্তরা আবাসন এলাকার সিরাজের ছেলে।
জানা যায়, তার বাড়ি ঢেলাপীরে হলেও ইসলামবাগে সে শশুর জাবেদের বাড়িতে ঘরজামাই হিসাবে থাকে। সাহিদ ও তার স্ত্রী আয়েশা ওরফে বাবলি দীর্ঘদিন থেকে থাই-ভিসা প্রতারণার সাথে জড়িত।
এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে এবং সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। এসময় তার ব্যবহৃত ৩ টি এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
এঘটনায় সাইবার ক্রাইম ও প্রতারণা সংক্রান্ত আইন ২০২৫ এর আলোকে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং ১৭।
এঘটনায় সাইবার ক্রাইম ও প্রতারণা সংক্রান্ত আইন ২০২৫ এর আলোকে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং ১৭।
এই মামলার তদন্তে কর্মকর্তা সৈয়দপুর থানার এসআই মনির উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটক সাহিদের কাছ থেকে জব্দকৃত মোবাইলে অনলাইন জুয়া ও থাই লটারির নামে প্রতারণার তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসীরা জানান, সাহিদ অল্পদিনে অনেক টাকার মালিক হয়ে গেছে। যা তাদের আচরণের উগ্রতা ও জৌলুসে ফুটে উঠেছে। অথচ তারা উল্লেখযোগ্য তেমন কোন কাজ করেনা।
এলাকাবাসীরা জানান, সাহিদ অল্পদিনে অনেক টাকার মালিক হয়ে গেছে। যা তাদের আচরণের উগ্রতা ও জৌলুসে ফুটে উঠেছে। অথচ তারা উল্লেখযোগ্য তেমন কোন কাজ করেনা।
ঘটনার পর থেকে সাহিদের পরিবারের লোকজন পলাতক। তবে স্ত্রী এক ফেসবুক স্টাটাসের মাধ্যমে তার ব্যাপারে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে সাহিদের মুক্তি দাবি করেছেন।
সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম রেজা বলেন, নির্দিষ্ট অভিযোগ ও তথ্যের ভিত্তিতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে সাহিদকে আটক করেছে।
সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম রেজা বলেন, নির্দিষ্ট অভিযোগ ও তথ্যের ভিত্তিতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে সাহিদকে আটক করেছে।
এরপর তদন্ত পূর্বক নিশ্চিত হয়েই রোববার রাতেই তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার সকালে তাকে নীলফামারী আদালতে পাঠানো হয়েছে।