Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

Home Ad
collapse
হোম / রাজনীতি / নীলফামারীর চার আসনে বিএনপি–জামায়াতের দখলযুদ্ধ, একটিতে শক্ত অবস্থানে জাপা - Chief TV

নীলফামারীর চার আসনে বিএনপি–জামায়াতের দখলযুদ্ধ, একটিতে শক্ত অবস্থানে জাপা - Chief TV

2026-02-01  আসিফ ইশতিয়া লিওন, নীলফামারী প্রতিনিধি  271 views
নীলফামারীর চার আসনে বিএনপি–জামায়াতের দখলযুদ্ধ, একটিতে শক্ত অবস্থানে জাপা - Chief TV

নীলফামারী জেলার চারটি সংসদীয় আসনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির দুর্গ হিসেবে পরিচিত এসব আসনে এবার ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রতিটি আসন নিজেদের দখলে নিতে মাঠে নেমেছে জোর প্রচারণায়।

চারটি আসনেই বিএনপি ও জামায়াত এখন প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। তবে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে একটি আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় জাতীয় পার্টি সেখানে নিজেদের শক্ত অবস্থান ধরে রাখার চেষ্টা করছে। এতে নির্বাচনের ফলাফলে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন ভোটাররা।

নির্বাচনী প্রচারণা জোরদার করেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও নেতাকর্মীরা। গণসংযোগ, পথসভা ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে ভোটারদের কাছে নিজেদের বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন তারা।


নীলফামারী–১ (ডোমার–ডিমলা)

২০০৮ সালে জাতীয় পার্টির জাফর ইকবাল সিদ্দিকী নির্বাচিত হন। পরে ২০১৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের আফতাব উদ্দিন সরকার এমপি হিসেবে আসনটি ধরে রাখেন। এবার আসনটিতে তৈরি হয়েছে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ।

বিএনপি জোটের প্রার্থী হয়েছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মাওলানা মো. মঞ্জুরুল ইসলাম। জামায়াতে ইসলামী থেকে প্রার্থী মো. আব্দুর সাত্তার। এছাড়া রয়েছেন জাতীয় পার্টির তসলিম উদ্দিনসহ একাধিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী।

এই আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৬০ হাজার ৭৮৫ জন। ভোটাররা বলছেন, তারা সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে বেছে নিতে চান এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে।


নীলফামারী–২ (সদর উপজেলা)

১৯৯৬ সালে জামায়াতে ইসলামীর মিজানুর রহমান এবং পরে ২০০১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের আসাদুজ্জামান নূর আসনটি ধরে রেখেছিলেন। এবার এই আসনে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে বিএনপি ও জামায়াত।

বিএনপির প্রার্থী দলের সাবেক চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ভাগিনা শাহরিন ইসলাম। জামায়াতের প্রার্থী আল-ফারুক আব্দুল লতিফ। এছাড়াও রয়েছেন ইসলামী আন্দোলনসহ কয়েকটি দলের প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী।

এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৭৮৫ জন।


নীলফামারী–৩ (জলঢাকা)

২০০৮ সালে জাতীয় পার্টির কাজী ফারুক কাদের, ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগের গোলাম মোস্তফা, ২০১৮ সালে জাতীয় পার্টির রানা মোহাম্মদ সোহেল এবং ২০২৪ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাদ্দাম হোসেন পাভেল নির্বাচিত হন।

এবার এই আসনে বিএনপি ও জামায়াত শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে রয়েছে। জামায়াতের প্রার্থী ওবায়দুল্লাহ সালফী এবং বিএনপির প্রার্থী আলহাজ সৈয়দ আলী।

এ আসনে ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৯৪ হাজার ৪৪৬ জন।


নীলফামারী–৪ (কিশোরগঞ্জ–সৈয়দপুর)

২০০১ সালে বিএনপির আমজাদ হোসেন সরকার, ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের এ. মারুফ সাকলান এবং ২০১৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত জাতীয় পার্টি আসনটি ধরে রাখে।

এবার বিএনপি ও জামায়াত মরিয়া হয়ে মাঠে নামলেও বিএনপির দলীয় কোন্দলের কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থী থাকায় জাতীয় পার্টি নিজেদের অবস্থান ধরে রাখার চেষ্টা করছে।

এই আসনে জাতীয় পার্টির মির্জা মো. শওকত আকবর রওশন, জামায়াতের আব্দুল মুনতাকিম এবং বিএনপির মো. আব্দুর গফুর সরকারসহ একাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫১ হাজার ৮১৪ জন।


Share: