নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে মাদকবিরোধী পৃথক দুটি অভিযানে আনুমানিক ১৪ লাখ টাকা মূল্যের ১০০ গ্রাম হেরোইন, ৮০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও একটি মাইক্রোবাসসহ চারজন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
২২ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে নওগাঁ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), নওগাঁ পৃথক দুটি মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানকালে জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, একটি মাইক্রোবাসযোগে শান্তাহার এলাকা থেকে কয়েকজন ব্যক্তি হেরোইন নিয়ে নওগাঁ শহরের দিকে আসছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে অভিযানকারী দল নওগাঁ সদর থানাধীন তুলসীগঙ্গা ব্রিজের পশ্চিম পাশে অবস্থান নেয়।
একই দিন রাত ৬টা ১০ মিনিটে একটি সাদা রঙের নোহা মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্রো-চ ১১-৯৭৩৮) ব্রিজের পশ্চিম পাশে পৌঁছালে অভিযানকারী দল গাড়িটি থামিয়ে তল্লাশি চালায়। তল্লাশিকালে গাড়িতে থাকা—
১. সেজাউল (৪১), পিতা—দুরুল ইসলাম, গ্রাম—কাজিগ্রাম, থানা—গোমস্তাপুর, জেলা—চাঁপাইনবাবগঞ্জ
২. জাহাঙ্গীর আলম (৩৯), পিতা—কাওছার আলী, গ্রাম—ফতেপুর, থানা—মোহনপুর, জেলা—রাজশাহী
—এর দেহ তল্লাশি করে তাদের হেফাজত থেকে ৫০ গ্রাম করে মোট ১০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।
জব্দকৃত হেরোইনের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৪ লাখ টাকা। এ অভিযানে তাদের সহযোগী আসামি হিসেবে—
৩. মাইক্রোবাসচালক ডুমন বর্মন (২৭), পিতা—সাবু বর্মন, গ্রাম—আসানপুর, থানা—গোমস্তাপুর, জেলা—চাঁপাইনবাবগঞ্জ
—কেও গ্রেপ্তার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক বহনে ব্যবহৃত নোহা মাইক্রোবাসটি জব্দ করা হয়।
অপরদিকে, একই দিন পৃথক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাত ১১টায় নওগাঁ সদর থানাধীন পাহাড়পুর বাজার এলাকায় জেলা গোয়েন্দা শাখার আরেকটি দল মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।
এ সময় আসামি—
ইমরান হোসেন (৪৪), পিতা—অছিম উদ্দিন, গ্রাম—কাশিমালা, থানা—বদলগাছি, জেলা—নওগাঁ
—এর দেহ তল্লাশি করে তার হেফাজত থেকে ৮০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নওগাঁ সদর থানায় পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।