পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার কৃতী সন্তান, দেশের প্রবীণ আইনজীবী, বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী এবং সম্মানিত জননন্দিত ব্যক্তিত্ব ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আর নেই।
রোববার (১২ জুলাই ২০২৬) রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর।
তাঁর মৃত্যুতে শুধু তেঁতুলিয়া নয়, সমগ্র পঞ্চগড় জেলাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী, আইনজীবী সমাজ, শিক্ষাবিদ, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং সর্বস্তরের মানুষ তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
তাঁর মৃত্যুতে শুধু তেঁতুলিয়া নয়, সমগ্র পঞ্চগড় জেলাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী, আইনজীবী সমাজ, শিক্ষাবিদ, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং সর্বস্তরের মানুষ তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অসংখ্য মানুষ তাঁর কর্মময় জীবন, সততা, প্রজ্ঞা এবং সমাজের প্রতি অসামান্য অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছেন।
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের জন্ম ১৯৩১ সালের ১ ডিসেম্বর তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের (বর্তমান বাংলাদেশ) পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার নয়াবাড়ি গ্রামে। শৈশব থেকেই তিনি ছিলেন মেধাবী, অধ্যবসায়ী ও নীতিবান।
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের জন্ম ১৯৩১ সালের ১ ডিসেম্বর তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের (বর্তমান বাংলাদেশ) পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার নয়াবাড়ি গ্রামে। শৈশব থেকেই তিনি ছিলেন মেধাবী, অধ্যবসায়ী ও নীতিবান।
শিক্ষা জীবনের প্রতিটি ধাপে তিনি অসাধারণ কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন। পরবর্তীতে আইনশাস্ত্রে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে আইন পেশায় আত্মনিয়োগ করেন এবং অল্প সময়ের মধ্যেই একজন দক্ষ, সৎ ও নির্ভীক আইনজীবী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, আইনের শাসন সুসংহত করা এবং মানবিক মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখতে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। তাঁর আইনজীবী জীবনে অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ মামলায় তিনি দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন এবং ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে কখনো আপস করেননি।
দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, আইনের শাসন সুসংহত করা এবং মানবিক মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখতে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। তাঁর আইনজীবী জীবনে অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ মামলায় তিনি দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন এবং ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে কখনো আপস করেননি।
তাঁর প্রজ্ঞা, যুক্তিনির্ভর বিশ্লেষণ এবং পেশাগত সততা তাঁকে দেশের আইন অঙ্গনে বিশেষ মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করে।
আইন পেশার পাশাপাশি শিক্ষা বিস্তার, সমাজসেবা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডেও তাঁর ছিল উল্লেখযোগ্য ভূমিকা। তিনি বিশ্বাস করতেন, শিক্ষিত ও সচেতন সমাজই একটি উন্নত রাষ্ট্র গঠনের প্রধান ভিত্তি।
আইন পেশার পাশাপাশি শিক্ষা বিস্তার, সমাজসেবা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডেও তাঁর ছিল উল্লেখযোগ্য ভূমিকা। তিনি বিশ্বাস করতেন, শিক্ষিত ও সচেতন সমাজই একটি উন্নত রাষ্ট্র গঠনের প্রধান ভিত্তি।
তাই বিভিন্ন সময়ে তিনি শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন, মানবকল্যাণ এবং জনসেবামূলক নানা উদ্যোগে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। সাধারণ মানুষের কল্যাণে তাঁর আন্তরিকতা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি তাঁকে সবার কাছে শ্রদ্ধার পাত্রে পরিণত করেছিল।
নিজ জন্মভূমি তেঁতুলিয়ার প্রতি তাঁর ছিল গভীর টান ও অকৃত্রিম ভালোবাসা। কর্মব্যস্ত জীবনের মধ্যেও তিনি এলাকার মানুষের খোঁজখবর রাখতেন এবং উন্নয়ন, শিক্ষা ও সামাজিক অগ্রগতির বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান করতেন।
নিজ জন্মভূমি তেঁতুলিয়ার প্রতি তাঁর ছিল গভীর টান ও অকৃত্রিম ভালোবাসা। কর্মব্যস্ত জীবনের মধ্যেও তিনি এলাকার মানুষের খোঁজখবর রাখতেন এবং উন্নয়ন, শিক্ষা ও সামাজিক অগ্রগতির বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান করতেন।
তেঁতুলিয়ার মানুষ তাঁকে শুধু একজন আইনজীবী হিসেবে নয়, বরং একজন অভিভাবক, প্রেরণাদাতা ও সমাজহিতৈষী মানুষ হিসেবে দেখতেন।
তাঁর ব্যক্তিজীবন ছিল অত্যন্ত সাদামাটা, সৎ ও আদর্শনিষ্ঠ। ক্ষমতা বা পরিচয়ের অহংকার নয়, বরং বিনয়, মানবিকতা এবং মানুষের প্রতি আন্তরিক আচরণই ছিল তাঁর ব্যক্তিত্বের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। এ কারণেই বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে তিনি ছিলেন সমানভাবে সম্মানিত ও প্রিয়।
তাঁর মৃত্যুতে আইন অঙ্গনের পাশাপাশি শিক্ষা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন গভীর শোক প্রকাশ করে তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন।
তাঁর ব্যক্তিজীবন ছিল অত্যন্ত সাদামাটা, সৎ ও আদর্শনিষ্ঠ। ক্ষমতা বা পরিচয়ের অহংকার নয়, বরং বিনয়, মানবিকতা এবং মানুষের প্রতি আন্তরিক আচরণই ছিল তাঁর ব্যক্তিত্বের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। এ কারণেই বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে তিনি ছিলেন সমানভাবে সম্মানিত ও প্রিয়।
তাঁর মৃত্যুতে আইন অঙ্গনের পাশাপাশি শিক্ষা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন গভীর শোক প্রকাশ করে তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মতো একজন গুণী, প্রজ্ঞাবান ও মানবিক ব্যক্তিত্বের শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
তেঁতুলিয়ার প্রবীণ নাগরিকরা জানান, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ছিলেন এমন একজন মানুষ, যিনি নিজের সাফল্যের পাশাপাশি এলাকার মানুষের অগ্রগতিকেও সমান গুরুত্ব দিয়েছেন।
তেঁতুলিয়ার প্রবীণ নাগরিকরা জানান, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ছিলেন এমন একজন মানুষ, যিনি নিজের সাফল্যের পাশাপাশি এলাকার মানুষের অগ্রগতিকেও সমান গুরুত্ব দিয়েছেন।
তিনি সবসময় নতুন প্রজন্মকে সুশিক্ষা, নৈতিকতা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করতেন। তাঁর জীবনাদর্শ ও কর্মনিষ্ঠা আগামী দিনের প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে তেঁতুলিয়াসহ সমগ্র পঞ্চগড় একজন গুণী সন্তানকে হারাল। তাঁর কর্মময় জীবন, সততা, ন্যায়পরায়ণতা, মানবিক মূল্যবোধ এবং সমাজের প্রতি অসামান্য অবদান মানুষের হৃদয়ে চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে তেঁতুলিয়াসহ সমগ্র পঞ্চগড় একজন গুণী সন্তানকে হারাল। তাঁর কর্মময় জীবন, সততা, ন্যায়পরায়ণতা, মানবিক মূল্যবোধ এবং সমাজের প্রতি অসামান্য অবদান মানুষের হৃদয়ে চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তিনি হয়তো আর আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তাঁর আদর্শ, কর্ম এবং অবদান আগামী প্রজন্মকে দীর্ঘদিন পথ দেখাবে।