খাগড়াছড়ির গুইমারায় মারমা সম্প্রদায়ের এক বিধবা নারীকে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে নিয়ে গণধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ম্রাচাই মারমাকে আটকে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী।
এদিকে বৃহস্পতিবার খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই ভুক্তভোগী নারীর প্রাথমিক ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। হাসপাতালে বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে বলে চিকিৎসকেরা নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ১৩ জুন গুইমারা উপজেলার হাফছড়ি ইউনিয়নের পশ্চিম কুকিছড়া এলাকার ওই নারীকে বড়ইতলী গ্রামের বাসিন্দা ম্রাচাই মারমা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেওয়ার নাম করে চট্টগ্রামে নিয়ে যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ১৩ জুন গুইমারা উপজেলার হাফছড়ি ইউনিয়নের পশ্চিম কুকিছড়া এলাকার ওই নারীকে বড়ইতলী গ্রামের বাসিন্দা ম্রাচাই মারমা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেওয়ার নাম করে চট্টগ্রামে নিয়ে যায়।
ওই দিন দিবাগত রাতে হাটহাজারী এলাকার একটি বাসায় নিয়ে ম্রাচাই মারমাসহ আরও চারজন মিলে তাকে জোরপূর্বক গণধর্ষণ করে। ভুক্তভোগীর ছোট ভাই জানান, ম্রাচাই মারমা তাদের পাশের গ্রামের বাসিন্দা হওয়ায় সরল বিশ্বাসে তার বোন চাকরির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন, কিন্তু সেখানে তাকে নির্মম নির্যাতনের শিকার হতে হয়।
এই জঘন্য অপরাধের বিচার চেয়ে তারা থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কুকিছড়া গ্রামের পাড়া প্রধান (কারবারী) চাইহ্লাপ্রু মারমা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে অভিযুক্তকে গ্রামবাসী আটক করে থানায় সোপর্দ করেছে।
গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহরাওয়ার্দী জানিয়েছেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে থানায় নিয়ে আসার বিষয়টি তারা জেনেছেন এবং ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত মামলা দায়ের হলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করে আসামিকে আদালতে পাঠানো হবে।