বগুড়া শহরের চারমাথা এলাকায় অবস্থিত একটি আবাসিক হোটেল থেকে বিপুল চন্দ্র পাল নামে সাবেক এক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন মোড় নিয়েছে। হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ নিহতের সঙ্গে থাকা এক নারীকে শনাক্ত করেছে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে হেফাজতে নিয়েছে।
রোববার বিকেলে দিনাজপুর থেকে আটক হওয়া ওই নারীর নাম মোছা. মুর্শেদা। এর আগে শনিবার দুপুরে শহরের ‘সেঞ্চুরি হোটেল’-এর একটি কক্ষ থেকে দুইবারের নির্বাচিত সাবেক এই মেম্বারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট, ঘুমের ওষুধ ও বিভিন্ন পানীয়র বোতল জব্দ করেছে।
পুলিশ ও হোটেল সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাত ৯টার দিকে ওই নারীকে সঙ্গে নিয়ে বিপুল চন্দ্র পাল হোটেলে উঠেছিলেন। পরদিন দুপুরে কক্ষের ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে হোটেল কর্তৃপক্ষ পুলিশে খবর দিলে বিছানায় নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। তবে মরদেহ উদ্ধারের আগেই ওই নারী কৌশলে হোটেল ত্যাগ করেন, যা সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়ে।
পুলিশ ও হোটেল সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাত ৯টার দিকে ওই নারীকে সঙ্গে নিয়ে বিপুল চন্দ্র পাল হোটেলে উঠেছিলেন। পরদিন দুপুরে কক্ষের ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে হোটেল কর্তৃপক্ষ পুলিশে খবর দিলে বিছানায় নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। তবে মরদেহ উদ্ধারের আগেই ওই নারী কৌশলে হোটেল ত্যাগ করেন, যা সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়ে।
এদিকে এই মৃত্যুকে ‘পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড’ বলে দাবি করেছেন নিহতের স্ত্রী ও সন্তানরা। তাদের অভিযোগ, হত্যাকাণ্ড আড়াল করতেই পুলিশ কক্ষ থেকে ওষুধ উদ্ধারের মতো তথ্য ছড়াচ্ছে। নিহতের স্ত্রী লিপি রানী পালের দাবি, রক্সি নামে এক ব্যক্তির ডাকে তার স্বামী বাইরে গিয়েছিলেন এবং এই ঘটনার পেছনে গভীর কোনো ষড়যন্ত্র থাকতে পারে।
বগুড়া সদর থানার ওসি ইব্রাহীম আলী জানিয়েছেন, নিহতের সঙ্গে থাকা নারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিপুল চন্দ্র পাল বগুড়া সদর উপজেলার এরুলিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছিলেন।
বগুড়া সদর থানার ওসি ইব্রাহীম আলী জানিয়েছেন, নিহতের সঙ্গে থাকা নারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিপুল চন্দ্র পাল বগুড়া সদর উপজেলার এরুলিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছিলেন।
ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হাতে পেলেই এটি স্বাভাবিক মৃত্যু নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।